বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঈদকে কেন্দ্র করে সড়ক-মহাসড়ক ও ফেরিঘাটে ঘরমুখী মানুষ ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। গন্তব্যে পৌঁছাতে গাদাগাদি করে গণপরিবহনে ওঠায় উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। যানজটে গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগছে কয়েক গুণ বেশি।
সকাল থেকে ঢাকা টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অপেক্ষমান ঘরমুখো মানুষের চাপ রয়েছে। বাস, মিনিবাস, সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা। দুপুরে পোশাক কারখানা ছুটি হলে মানুষের চাপ আরো বাড়তে পারে। এছাড়া পশুবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের লম্বা সারি দেখা গেছে মহাসড়কে। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ১৭ কিলোমিটার এলাকায় উত্তরবঙ্গমুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার ভোর থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পৌলী পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট রয়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, ফেরি ঘাটেও রয়েছে যাত্রীবাহী ও পশুবাহী যানবাহনের চাপ।
যাত্রীর চাপে ফেরি ও লঞ্চঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনেককে। এদিকে, তীব্র গরম ও যানজটে ট্রাক আটকে থাকায় সুস্থভাবে কোরবানীর পশু পরিবহন করা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা।
ভোর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ছিল তীব্র যানজট। বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদের তীব্রতা বাড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বাসের বাড়তি ভাড়া, নির্দেশনা না মেনে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন, সড়কে যানজট, এমন সব পরিস্থিতির মাঝেই যে কোন উপায়ে পরিবারের সাথে ঈদ করতে ছুটছে মানুষ।
ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে ফেরিঘাটেও। মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে সকাল থেকে পারাপারের অপেক্ষায় ছিল অগনিত মানুষ। করোনার ঝুঁকির মাঝেই সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা না করে লঞ্চ, ফেরিতে গাদাগাদি করে চাপছেন মানুষ।
এদিকে, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাসের তুলনায় পশু ও পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ বেশি। ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হওয়ায় কোরবানির পশু নিয়ে দু:শ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা।
ঈদ কাছে আসায় আগামীকাল যাত্রী ও যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে উল্লেখ করে প্রশাসন বলছে, যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে এবং করোনার স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কাজ করছেন তারা।